বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (পেট্রোবাংলার একটি কোম্পানি)
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

তিতাস ফিল্ড

 

তিতাস গ্যাস ফিল্ড বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা শহরের সদরে অবস্থিত। ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানী এ গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ফিল্ডটি উত্তর-দক্ষিণে ১৯x১০ বর্গ কিলোমিটার এবং প্রায় ৫০০ মিটার একটি উলম্ব ক্লোজার ব্যাপী বিস্তৃত। পেট্রোবাংলার থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭,৫৮২ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)। ১৯৬৮ সাল থেকে এ গ্যাস ক্ষেত্র থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়। আগষ্ট ৩১, ২০২০ পর্যন্ত সর্বমোট ৪৯২৩.৩২৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বা উত্তোলনযোগ্য মোট মজুদের শতকরা ৬৪.৯৩% গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে।

 

তিতাস ফিল্ডের মোট ২৭ (সাতাশ)টি কূপের মধ্যে ০৯ (নয়)টি কূপ ভার্টিকেল এবং অবশিষ্ট ১৮ (আঠারো)টি কূপ ডিরেকশনাল। ১১ কিলোমিটার বিস্তৃত ০৯ (নয়)টি বিভিন্ন লোকেশনে কূপগুলো অবস্থিত। ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে, তিতাস ফিল্ডের ২৬টি উৎপাদনরতকূপ থেকে গড়ে দৈনিক ৪০৫.২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদিত হয় এবং ১০ টি গ্লাইকল ডিহাইড্রেশন টাইপ, ৪ টি নিম্ন তাপমাত্রার সেপারেটর (LTS) এবং ২ টি গ্লাইকল উইথ এলটিএস টাইপ ডিহাইড্রেশন প্রসেস প্লান্টের মাধ্যম প্রক্রিয়া করে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল) এবং গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) এর ট্রান্সমিশন পাইপলাইনে সরবরাহ করা হয়। এ ফিল্ড থেকে ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে গ্যাসের উপজাত হিসেবে গড়ে দৈনিক ৩০৫.৫৮ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়। ২০২০ সালের আগষ্ট মাসে এ গ্যাস ক্ষেত্রের কনডেনসেট ও গ্যাসের গড় অনুপাত ০.৭৬২ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট এবং পানি ও গ্যাসের গড় অনুপাত ০.৮০২ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট (তিতাস কূপ নং- ১২, ১৩, ২১ ও ২২ ব্যতীত)। গ্যাস উদগীরণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ২৫-০২-২০১৮ তারিখে স্নাবিং অপারেশনের মাধ্যমে তিতাস কূপ নং- ৩ প্লাগ এবং এ্যাবানডান্ট করা হয়।

 

বিজিএফসিএল এর তিতাস, নরসিংদী এবং হবিগঞ্জ ফিল্ডের উৎপাদিত কনডেনসেট এবং বাপেক্সের শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, সালদা ও সেমুতাং ফিল্ড হতে উৎপাদিত কনডেনসেট তিতাস ফিল্ডে স্থাপিত দুটি ফ্রাকশনেশন প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এমএস (পেট্রোল) এবং এইচএসডি (ডিজেল) উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত পণ্য পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের নিকট বিক্রয় করা হয়।

 

 


Share with :

Facebook Facebook